যেসব ফল ও সবজিতে কীটনাশক বেশি থাকে

কীটনাশক ক্যান্সার, শিশুর বেড়ে ওঠা সংক্রান্ত সমস্যা এবং বুদ্ধিমত্তা কম হওয়ার মত বিভিন্ন ধরনের সমস্যা তৈরি করতে পারে

36

ফসলকে পোকামাকড়ের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য কীটনাশক প্রয়োগ করা হয়। কিন্তু এই কীটনাশক ক্যান্সার, শিশুর বেড়ে ওঠা সংক্রান্ত সমস্যা এবং বুদ্ধিমত্তা কম হওয়ার মত বিভিন্ন ধরনের সমস্যা তৈরি করতে পারে। আমেরিকার দ্যা এনভায়রনমেন্টাল ওয়ার্কিং গ্রুপ কীটনাশক সমৃদ্ধ ফল এবং সবজির তালিকা প্রকাশ করেছিলো। তালিকার সবচেয়ে উপরের দিকে থাকা ফল ও সবজি।

# আপেল
আপেলে প্রচুর কীটনাশক থাকে। ৯৯ শতাংশ আপেলের নমুনাতেই অন্তত একটি কীটনাশক পাওয়া যায়।

# পীচ ফল
পীচ ফল উৎপাদনের সময় এবং উৎপাদনের পর সংরক্ষণের জন্য অনেক রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়।

# আঙ্গুর
আঙ্গুরে উচ্চমাত্রার কীটনাশক থাকে। ১ টি আঙ্গুরে ১৫ ধরনের কীটনাশক থাকতে পারে।

# স্ট্রবেরি
১৩টি ভিন্ন ধরনের কীটনাশক থাকতে পারে একটি স্ট্রবেরিতে। তাই খুব ভালো করে না ধুয়ে খাওয়া উচিৎ নয় ফলটি।

# চেরি টমেটো
১টি চেরি টমেটোতে ১৩ ধরনের কীটনাশক থাকতে পারে। অরগানিকভাবে উৎপন্ন চেরি টমেটো খাওয়া ভালো।

# ক্যাপসিকাম
একটি ক্যাপসিকামে ১৫ ধরনের কীটনাশক থাকতে পারে। তাই সম্ভব হলে অরগানিক ক্যাপসিকাম কেনার চেষ্টা করুন।

# আলু
অন্য যেকোন সবজির চেয়ে আলুতে কীটনাশকের পরিমাণ বেশি থাকে। আলুর মধ্যে কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ থেকে যায় বলে জানা গেছে যা স্নায়ুতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

এছাড়াও শশা, মটরশুঁটি, পালংশাক, সেলেরি ইত্যাদি সবজিতেও প্রচুর কীটনাশক থাকে। ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্থিয়া কার্ল এর করা গবেষণায় জানা যায় যে, যারা প্রায়ই অরগানিক পণ্য কেনেন তাদের শরীরে কম অরগানোফসফেট যায়, যদিও তারা দৈনিক ৭০ শতাংশের বেশি ফল ও সবজি খেয়ে থাকেন যারা খুব কম বা কখনোই অরগানিক পণ্য কিনেন না তাদের চেয়ে। অরগানিক ফল ও সবজি উৎপাদনে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক একেবারেই ব্যবহার হয় না বা খুব কম ব্যবহার হয়।