করোনাভাইরাসে ভাটা পড়েছে মেহেরপুরের ত্রীড়াঙ্গনে
করোনা ভাইরাসের প্রার্দুভাব চলে গেলে আবারো খেলার মাঠগুলো খেলোয়াড়দের পদচারনায় মুখোর হয়ে উঠবে
২৬২

জাকির হোসেন, মেহেরপুর  : সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিভিন্ন বয়সি খেলোয়াররা দাঁপিয়ে বেড়াতেন যে মাঠে, সেই মাঠ গুলো খেলোয়াড় শুন্য হয়ে পড়ে রয়েছে। জেলা শহরের সড়ক গুলো যেমন ফাঁকা রয়েছে তেমনি মাঠ গুলোতে নেই কোন ধরনের খেলাধুলা। করোনা ভাইরাস সর্তকতায় মেহেরপুরে সব ধরনের খেলা বন্ধ ঘোষনা করেছে জেলা প্রশাসন ও ক্রীড়াসংস্থা। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবারো মাঠ গুলো ফিরে পাবেন পুরোনো সেই রুপ এমটাই মনে করছেন ক্রিড়া প্রেমীরা।

বাংলাদেশের প্রথম রাজধানী ও সীমান্তবর্তি জেলা মেহেরপুর। ঐতিহাসিকতায় এক অন্যন্য এই জেলা। খেলাধুলায় রয়েছে সোনালী অতীথ। মেহেরপুরের এই মাঠ গুলো থেকে এখন বিশ্বের মাঠ দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ওপেনার ইমরুল কায়েস। খুদে ক্রিকেট একাডেমিও রয়েছে এই জেলাতে। খেলা পাগল এই জেলার মানুষ এখন করোনা ভাইরাস সর্তকতায় বাসা বাড়িতে। করোনা ভাইরাস সর্তকতায় মেহেরপুর জেলায় সব ধরনের খেলার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জেলা প্রশাসন ও ক্রীড়াসংস্থা।

ক্রিকেট খেলোয়াড় মেহিদি হাসান জানান, করোনাভাইরাস হঠ্যাৎ করেই আমাদের মাঝে চলে আসায় আমরা প্রস্তুত ছিলাম না যে এভাবে সারা বাংলাদেশে সব কিছু বন্ধ হয়ে যাবে। আমাদের ক্রিয়াঙ্গণে এর প্রভাব পড়েছে, খেলোয়াড়েরা সবাই নিজের সাবধানতা বজায় রেখে নিজ নিজ ঘরে রয়েছে, তার পরও আমরা করোনাভাইরাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষায় দিন গুনছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসলে সবাইকে নিয়ে আবারেও ব্যাট, বল হাতে ফিরব এমনটিই আশা জানান তিনি।

মেহেরপুর খোলার সামগ্রী ব্যবসায়ী প্লেয়ার্স স্পোর্টস জোনের স্বত্তাধিকার ইমন খান জানান, করোনা পরিস্থিতির কারনে ব্যবসায় ধস নেমেছে, বছরের এই সময় বিশেষ করে খেলার সামগ্রী বেশি বেচাকেনা হয়, হঠাৎ করে খেলা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন হিমশিম খেতে হচ্ছে। মাঠ গুলো আবারো প্রানচঞ্চলতা ফিরে পাবে এবং আমাদের ব্যবসা ও ভালো চলবে এমনটিই জানান তিনি।

মেহেরপুেেরর একমাত্র খুদে ক্রিকেটারদের নিয়ে প্রতিষ্টান এমকেএসপি ক্রিকেট একাডেমীর পরিচালক শাহিনুর রহমান রিটন বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রভাব ত্রীড়াঙ্গনে পড়লেও সেই ঘাটতি পূরন করা সম্ভব, তাই বাচ্চাদের বার বার হাত ধোয়া সহ কিভাবে খুদে ক্রিকেটারদের মানসিক বিকাশ ঘটে সে নিয়ে অভিভাবকদের সাথেও নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে, এছাড়া তারা যেন এই দীর্ঘ সময় ঘরে থাকার জন্য হতাশ না হয় সেজন্য তাদেরকে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে মনোবল শক্ত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি।

এদিকে মেহেরপুর জেলা প্রশাসক আতাউল গণি বলেন, জনসমাগম এড়াতে জেলায় সব ধরনের খেলাধুলা বন্ধ করা হয়েছে, করোনা ভাইরাসের প্রার্দুভাব চলে গেলে আবারো খেলার মাঠগুলো খেলোয়াড়দের পদচারনায় মুখোর হয়ে উঠবে বলেও জানান তিনি। সবাইকে ঘরে থেকে সরকারের দিন নির্দেশনা মেনে চলারও আহ্বান জানান তিনি।

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More